Today: Fri, May 25, 2018

এবার পঞ্চায়েত ভোটে রাতেও ইসলামপুর মহকুমায় চলে ভোট গ্রহণ পর্ব ও সন্ত্রাস

দীপঙ্কর দে (টী.এন.আই ইসলামপুর) । টি.এন.আই সম্পাদনা শিলিগুড়ি

বাংলাডেস্ক, টী.এন.আই, ইসলামপুর, ১৫ই মে, ২০১৮: ইসলামপুর মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে রাতভর চললো ভোটগ্রহণ পর্ব। পাশাপাশি ভোট চলাকালীন হিংসায় ব্যাপক তীর, গুলি বোমাবাজির মাঝে সব দল মিলিয়ে জখম ১০ জন। জানা গিয়েছে, চোপড়া ব্লকের ভেরভেরি, সোনাপুর, লক্ষীপুর, রবীন্দ্র নগর কলোনী, দলুয়া সহ বিভিন্ন বুথে কোথাও রাত ৮টা কোথাও রাত ৯টা কোথাও বা রাতভর চললো ভোটগ্রহণ। লক্ষীপুর বুথে রাতভর ভোট নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ৭টায় চোপড়া কমলা পাল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের ডিসিআরসিতে এসে পৌঁছায় ভোটকর্মীরা। ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করনদিঘি এলাকার বিভিন্ন বুথে গভীর রাত পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ পর্ব। এদিকে রাত পর্যন্ত ভোট চলাকালীন হিংসার খবর আসতে থাকে বিভিন্ন এলাকা থেকে। চোপড়ার সোনাপুরে সিপিএমের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভেরভেরি এলাকায় আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। এদিন সকালে হেরে যাবার ভয়ে চোপড়ার কালাগছ এলাকায় তৃণমূল কর্মী অজয় সিংহ কে বাড়ি থেকে ডেকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ খোদ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল প্রার্থী দেবাশীষ দত্তের বিরুদ্ধে। এই মর্মে অজয় সিংহের স্ত্রী চোপড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে গোয়ালপোখরের মনিভিটা হাই স্কুল বুথে ভোট চলাকালীন আচমকা দুষ্কৃতীদের গুলিতে পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হন তৃণমূল কর্মী কলিমুদ্দিন। গোয়ালপোখরের মতিলাল বড়বিল্লা এলাকার বাসিন্দা কলিমুদ্দিনের ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। এছাড়া নন্দঝাড় এলাকায় দিনভর ছাপ্পা ভোটের কারনে তিতিবিরক্ত আমজনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলে শাসকদলের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে দুপক্ষের তরফে ব্যাপক বোমাবাজি কমপক্ষে ৩০ রাউন্ড গুলি ও বৃষ্টির মতো তীর চলে। তীরের আঘাতে জখম তৃণমূল কর্মী মহম্মদ রাজুকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হলে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলা ভোটেও অব্যাহত হিংসার আতঙ্কিত মহল।

ছবিঃ দীপঙ্কর দে (টী.এন.আই)

Be the first to comment on "এবার পঞ্চায়েত ভোটে রাতেও ইসলামপুর মহকুমায় চলে ভোট গ্রহণ পর্ব ও সন্ত্রাস"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*